. --আচ্ছা ঠিক আছে।

বিকেল পাচঁটা স্কুল থেকে মাত্র
ফিরে আসলাম।কিন্তু রেহাই নেই।আবার
ছুটে চলতে হবে প্রাইভেটের
উদ্দেশ্যে স্যারের বাড়িতে।আজ একটু
তাড়াতাড়ি যেতে হবে।কারন আজ আবার
পরিক্ষা আছে।তাই ফ্রেশ
হয়ে কাধে ব্যাগটা ঝুলিয়ে ছুটে চললাম
স্যারের বাড়ির দিকে।আমি যাবার
আগে দেখি সবাই হাজির।কিন্তু সবার
মাঝে নতুন একজনকে দেখলাম।যাকে
প্রথম
দেখাতেই য়ামার নজর আতকে
গেলো।
কি সুন্দর দেখতে,কি মায়াবী তার চোখ
দুটো।প্রথম দেখাতে যে কেউ
ক্রাশ
খাবে।
.
.
.
কিছুক্ষন পর স্যার আসলেন।স্যার
এসে আমাদের সবাইকে তার সাথে
পরিচয়
করিয়ে দিল।মেয়েটির নাম ছিল আরশি।
মাঝে মাঝে তার
সাথে পড়া নিয়ে কথা হত।কারন আমি এই
বিষয়টা একটু ভাল পারতাম।এভাবে ফোন
নাম্বার আদান প্রদান হয়।
মাঝে মাঝে রাতে পড়া নিয়ে কথা হত।
সেখান থেকে পরিচয়।
আস্তে আস্তে আরশির সাথে
বন্ধুত্বের
একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মেয়েটা খুব
অভিমানী ছিল।সামান্য বেপার
নিয়ে রাগ করত।এভাবে চলতে চলতে
কখন
যে তাকে মনের
অজান্তে ভালবেসে ফেলেছি তা
বুঝতে পারিনি।
কিন্তু তাকে যে ভালবাসি তা এখনও
বলা হয়ে ওঠেনি।অনেকবার
বলতে চেয়েছি কিন্তু বন্ধুত্ব হারানোর
ভয়ে বলতে পারিনি।তাই সিদ্ধান্ত
নিয়েছি ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব
ভালবাসা দিবসে তাকে বলে দেবো
আমার
মনের কথা।
.
.
.
১৩ই ফেব্রুয়ারি।রাত ১০টা।ফোন করলাম
আরশিকে
--কিরে কেমন আছিস।
.
--এইত ভাল।তুই
.
--ভাল।আচ্ছা কাল আমার সাথে বিকাল
তিনটের সময়।পার্কে দেখা করতে
পারবি।
.
--আচ্ছা ঠিক আছে।
.
.
.
coming soon !!!!!!!!!!!!!!