Long Romantic Sms


কি করছো?
– ছবি আকঁছি।
- ওটা তো একটা বিন্দু।
– তুমি ছুঁয়ে দিলেই বৃত্ত হবে। কেন্দ্র হবে
তুমি। আর আমি হবো বৃত্তাবর্ত।
- কিন্তু আমি যে বৃত্তে আবদ্ধ হতে চাই না।
আমি চাই অসীমের অধিকার।
– একটু অপেক্ষা করো। . . . এবার দেখো।
- ওটা কি? ওটা তো মেঘ।
– তুমি ছুঁয়ে দিলেই আকাশ হবে। তুমি হবে
নি:সীম দিগন্ত। আর আমি হবো
দিগন্তরেখা।
- কিন্তু সে তো অন্ধকার হলেই মিলিয়ে
যাবে। আমি চিরন্তন হতে চাই।
– আচ্ছা, এবার দেখো।
- একি! এ তো জল।
– তুমি ছুঁয়ে দিলেই সাগর হবে। তিনভাগ
জলের তুমি হবে জলকন্যা। আর আমি হবো
জলাধার।
- আমার যে খন্ডিতে বিশ্বাস নেই। আমার
দাবী সমগ্রের।
– একটু অপেক্ষা করো। এবার চোখ
খোল।
- ওটা কি আঁকলে? ওটা তো একটা হৃদয়।
– হ্যাঁ, এটা হৃদয়। যেখানে তুমি আছো অসীম
মমতায়, চিরন্তন ভালোবাসায়। এবার বলো
আর কি চাই তোমার?
- সারাজীবন শুধু ওখানেই থাকতে চাই।
একটা সুন্দর করে সাজানো ঘর ছিল,যেটা
তোমার দেওয়া কিছু মিথ্যা সপ্ন দিয়ে
গড়া ছিল।
আজ ভেঙেছে সে সাজানো সপ্ন ঘর,যখন
তুমি আমায় করে দিয়েছো পর।
আজও আমি মিছে কেঁদে মরি তার তরে,সে
তো খুব সুখেই আছে আজ অন্য কারো হয়ে।
একটা সময় ছিল,যখন তাকে আমি সুখে
রাখতে চেয়ে,কিছু সুন্দর সপ্ন সাজিয়ে
ছিলাম এই দুই নয়ন ভরে।
আর আজ।যখন আমি দেখি তারে,সে তো খুব
সুখেই আছে আমায় ছেড়ে।
তখন জানিনা কেন এই দুই নয়ন আমার ওঠে
জলে ভরে।
আজও উত্তর পাই নি
আমি মেয়ে
যে দিন জন্মেছিলাম,
ঠাকুমা তুলসী তলায় মাথা ঠুকেছিল,
গতরাতে নিজের হাতে তৈরি নাড়ু
ফেলে দিয়েছিল গরুর ডাবায়।
বাবার মুখ ছিল গম্ভীর
মায়ের মুখে এক পাপবোধ।
প্রতিবেশীরা সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিল,
পরেরবার, নিশ্চয়ই ঠাকুর মুখ তুলে চাইবে।
বুজেছিলাম, আমি পরিবারে আনন্দ নিয়ে
আসি নি।
আমার বয়স এখন চার,
আজ আমার একটা ভাই হয়েছে।
সারা বাড়ী জুড়ে সে কি আনন্দ!
কেবল নাড়ু নয়, বাবা মিষ্টি বিলি করেছে।
সব্বাই বলছে, ভগবান এতদিন বাদে মুখ তুলে
চাইল।
চার বছরের আমি শুধু উত্তর পাই নি,
আমার জন্মের দিনটা কেন অন্যরকম ছিল?
সেই আমি এখন ষোল বছরের।
ঠাকুমা, বাবার হুকুম হয়েছে
আর স্কুল নয়,
বই, খাতা, রঙ, পেনসিল ছেড়ে
এবার শিখতে হবে সংসারের কাজ।
সময় হয়েছে, এ বাড়ী ছেড়ে
আর এক বাড়ী যাওয়ার।
ভাই স্কুলে যায়,
বাবার ইচ্ছে ও যতদূর পারে পড়ুক।
আমার কেন পড়া হবে না,
না, এর কোন উত্তর পাই নি।
আমার বয়স এখন আঠাশ।
বিয়ে হয়ে গেছে এগারো বছর আগে।
একটি মেয়ে, একটি ছেলে।
মেয়ে হওয়ার পড়, শ্বশুরবাড়ীর কেউ
কয়েকদিন আমার সাথে কথা বলে নি।
কেন? না এরও কোন উত্তর পাই নি।
সেই আমি আজ পঞ্চাশের গোড়ায়
বাপের বাড়ীতে এসেছি।
বাবার আর কয়েক মুহূর্ত,
ভাই চাকরী করে
সময় পায় নি আসার।
শেষ সময়ে আমি দিয়েছিলাম
বাবার মুখে দুফোঁটা জল।
সব্বাই বলেছিল, লোকটার কপাল খারাপ,
শেষ সময়ে ছেলের হাতের জলটুকুও পেল না।
আমার দেওয়া জলে দোষ কোথায়,
না, এরও কোন উত্তর পাই নি।
আমি এখন পঁচাত্তরের বৃদ্ধা
জীবনের শেষকটি ক্ষণ আর বাকি।
আমার ছেলেটি বড় ব্যস্ত।
চারিদিকে ছুটে বেড়াচ্ছে, লোক জোগাড়
করছে।
আর, আমার মেয়েটি
চুপচাপ, নীরবে আমার পায়ের সামনে বসে
আছে।
ওর যে কোন স্বাধীনতা নেই।
সমাজের সকলের মন জুগিয়ে যে ওকে চলতে
হয়।
নীরবে দুচোখের কোণ দিয়ে কেবল
গড়িয়ে পড়ছে ফোঁটা ফোঁটা জল।
মেয়ে ছেলে কেন এত তফাৎ
এর কোন উত্তর পাই নি।
আমি আবার জন্মাতে চাই,
জন্মাতে চাই একজন মেয়ে হয়ে।
পুরুষের চোখে জগৎ দেখব বলে নয়,
জগৎ দেখব একজন মেয়ের চোখে!
কিছু রাত কেটে যায় স্বপ্ন
বিহীন..
কিছু আশা ভেঙ্গে যায় নীরবে..
কিছু স্মৃতি কাঁদিয়ে যায়
আড়ালে..
কিছু মানুষ দুরে হারায় কিছু না
বলে..!!
জীবনে কিছু কিছু প্রশ্ন
থাকে```যার
উত্তর কখনোই মিলে না ।জীবন
চলার
পথে কিছু ভুল হয়ে যায়```যা
হাজার
চেষ্টার পরও শুধরানো যায়না ।
কিছু
কষ্ট বুকের ভিতর জন্ম নেয়```যা
অসীম
সুখ দিয়ে ও আঁড়াল করা যায়না ।
ঠিক
তেমন ই প্রতিটি
মানুষেরজীবনে
একজন মানুষ আসে```যে হারিয়ে
গেলে ও তাকে কখনোইভুলে
যাওয়া
সম্ভব হয় না`
জীবনের ১৩টা BEST M0MENTS:
১|প্রেমে পড়া।
২|শেষ পরীক্ষাটা খুব তাড়াতাড়ি শেষ
করতে পারা।
৩|ঘুমথেকে উঠার পর বুঝতে পারা এখনো
অনেকক্ষণ ঘুমানো যাবে।
৪|একটা ফোন আসলো আর আপনি জানতে
পারলেন ক্লাস হবে না।
৫|বার বার একজনের সাথে দেখা হওয়া,
যাকে খুব ভালোলাগে আপনার।
৬|পুরাতন বন্ধুদের সাথে হঠাত্ দেখা হওয়া
আর বুঝতে পারা কিছুই পালটায় নি। সব
রয়েছে আগের মতো।
৭|কিছুক্ষণ আগে জন্ম নেওয়া বাচ্চার আঙ্গুল
ধরা।
৮|ছুটির দিনে সন্ধ্যায় কোনো পুরাতন বন্ধুর
সাথে কথা বলার সুযোগ পাওয়া।
৯|ভালোবাসার মানুষের ফোন অথবা
মেসেজের জন্য অপেক্ষা করা যখন আপনি
একদম একা।
১০|নিঃস্তব্ধ রাস্তায় রাতে একা একা
হাঁটা।
১১|বৃষ্টির দিনে প্রিয় কারও সাথে ঘুরতে
যাওয়া।
১২|আয়নার সামনে দাড়িয়ে স্পেশাল
কারো সাথে কথা বলা।|
অনুভূতিগুলো সত্যি অসাধারণ। আর
সবশেষটা হলো,,,
১৩|যখন আপনি এটা পড়ছেন আর এরমাঝে
লুকিয়ে থাকা কোনো M0MENT আপনার
ঠোঁটের কিনারে হাসি ফোঁটাচ্ছে।|
হাসতে থাকুন সবসময়
কারণ, হাসিতে আপনাকে সত্যি দারুন
লাগে। valo lagle akta cmnt
যোগাযোগ ছাড়া কোনো সম্পর্ক গড়ে
ওঠে না
!!!!
পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ছাড়া কোনো
ভালবাসা টিকতে পারে না ..এবং একে
অন্যের প্রতি বিশ্বাস ছাড়া কোনো
সম্পর্ককে টেনে
নিয়ে যাওয়ার মানে হয় না ........ —
যোগাযোগ ছাড়া কোনো সম্পর্ক গড়ে
ওঠে না
!!!!
পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ছাড়া কোনো
ভালবাসা টিকতে পারে না ..এবং একে
অন্যের প্রতি বিশ্বাস ছাড়া কোনো
সম্পর্ককে টেনে
নিয়ে যাওয়ার মানে হয় না .......
ঘড়ির দিকে তাকিয়েই আতঁকে উঠল
আকাশ।
"ধুর, আজও দেরি হয়ে গেল। "
অফিস শেষে বন্ধুদের
সাথে আড্ডা দিতে দিতে এত
দেরি হবে সেটা ভাবতেই
পারে নি। খুবই সহজ-সরল মেয়ে রিতা।
দাবিটাও অল্প। আকাশের কাছে শুধু
একটু সময় চায় মেয়েটি।
তাড়াতাড়ি আসবে বলে আজকেও
চার ঘন্টা লেট।
" রিতা কি আমাকে বাসায়
ঢুকতে দিবে ??? নাকি দরজা থেকেই
বিদায় করবে ?? নাকি অভিমান
করে গাল
দুটো ফুলিয়ে টেবিলে বসে থাকবে???"
বুঝতে পারছে না আকাশ। তবে ওর খুব
ইচ্ছে, অনেক ইনিয়ে-
বিনিয়ে অভিমানী রিতার রাগ
ভাঙ্গাবে। রিতা প্রথম প্রথম হাত
ধরতে না দিলেও একসময় কান্নার
ঝাপি খুলে ওর বুকে ঝাপিয়ে পড়বে।
কিন্তু রিতাকে যে কখনই অভিমান
করতে দেখেনি। এই ব্যাপারটাই
বেশি ভাবায় আকাশকে।
একটা রিক্সা আসতেই
সেটা থামিয়ে উঠে পড়ল। কিছুক্ষন পর
পর ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছে। ইচ্ছে,
যদি সময়টাকে চার
ঘন্টা কমিয়ে দেয়া যেত ??
" ভাই, আরেকটু জোরে চালান না।
ভাড়া কিছু বাড়িয়ে দিব। "
রিক্সার গতি কিছুটা বাড়তেই আবার
ঘড়ির দিকে তাকাল।
" ধ্যাত, অন্যদিন তো বাসায়
আসতে এত সময় লাগে না। আজ এতক্ষন
লাগছে কেন?? "
গেটে রিক্সাওয়ালাকে বিদায়
করে দ্রুত দোতলায় উঠে কলিংবেল
না টিপে দরজায় নক করল।
রিতা জানে, দরজায় নক শুধু একজনই
করে। আকাশ রুমে ঢুকতেই
রিতা একগ্লাস পানি দিয়ে বলল
" আসতে কোন সমস্যা হয়নি তো??"
'
" না, বউ। সমস্যা হবে কেন?? "
'
" না হলে এত ঘেমে আছ কেন??
মনে হচ্ছে অফিস
থেকে হেটে হেটে বাসায় আসছ??? "
শাড়ির আচল দিয়েই আকাশের
মুখটা মুছে দিচ্ছে রিতা।
'
ভেবেছিল মেয়েটা রাগ
করে থাকবে। কিভাবে রাগ
ভাঙ্গাবে সেটা পর্যন্ত ঠিক
করে রেখেছিল। আর এখন ???
মেয়েটা কি কখনো রাগ
করতে পারে না ??? এত শান্ত
থাকে কিভাবে ??? সব কিছু এত
সহজে মেনে নেয় কি করে ??
'
রাত ১ টা। চোখ বন্ধ করে চুপচাপ
শুয়ে থাকলেও
এখনো ঘুমাতে পারেনি আকাশ।
রিতা ওপাশ ফিরে হাত মাথার
নিচে রেখে ঘুমুচ্ছে। উহু, ঘুমায় নি।
সেটা বুঝতে পারল রিতার নাক
টানার শব্দে।
" আজব !!!! মেয়েটা কাদঁছে !!! নিজের
কষ্টগুলো বুকে চেপে এভাবে কি প্রতি রাতেই
কাঁদে মেয়েটা ??? অথচ সন্ধ্যায়
বাসায় আসলে নিজের অনুভূতির
এতটুকুও বুঝতে দেয় নি আমায়। হয়ত
আমি কষ্ট পাব বলে।"
ভাবতে ভাবতেই রিতাকে নিজের
দিকে ফিরাল।
'
" স্যরি, বউ।
আজো তোমাকে কথা দিয়ে সময়মত
আসতে পারিনি। তাই বলে তোমার
কষ্টগুলোকে আধাঁরে লুকিয়ে এভাবে কাদঁবে ???
"
কিছু না বলে আকাশের বুকে মুখ
লুকিয়ে এখনো কাদঁছে রিতা।
আকাশই আবার বলল
" তোমাকে অনেক ভালবাসি।
কি করব, বল ???
আমি চাইনা তোমাকে কষ্ট দিতে।
নিজের অজান্তেই হয়ে যায়। আমার
কাছে নিজেকে এভাবে আর
লুকিয়ে রেখোনা। সবসময় তোমার
মুখে হাসি ফোটাতে না পারলেও
তোমার সব গুলো কান্নার ভাগ
আমাকে দিবে তো ??? কি হল, চুপ
করে আছ কেন ??? বল দিবে?? "
উত্তরে শুধু আকাশের বুকের
মধ্যে রাখা মাথাটা উপর-নিচ একটু
দোলাল রিতা। আর হাত
দিয়ে চোখদুটো মুছে দিয়ে রিতাকে আরো শক্ত
করে জড়িয়ে ধরল আকাশ।
পড়ুন আশা করি ভালো লাগবে ...
মেয়ে :- puchu,শুভ জন্মদিন
ছেলে :-Thanks সোনা..
মেয়ে :- puchu, আজ সন্ধ্যায় 7.30 টায়
আমি তোমার বাড়িতে আসবো।
ছেলে :-সত্যি !! promise?
মেয়ে :- i promise.. i love u puchu
যাই
কিছু হয়ে যাক আমি আসবই।
ছেলে :-i love u too.. তাহলে আমি
তোমার
পছন্দের ডিনার তৈরী করছি।
মেয়ে :-ঠিক আছে। 7.30.. বাজছে
কিন্তু
এখনো মেয়েটা এলো না... 1ঘন্টা পর
8.30 মেয়েটা এলো,
ছেলে :-কি ব্যপার এতো দেরি হল যে?
মেয়ে:-জড়িয়ে ধরে বললো, sorry puchu..
রাস্তায়
ভীষন ট্রাফিক।
ছেলে :-আচ্ছা ঠিক আছে.. চলো ডিনার
করি..
একটুপর মেয়েটির মায়ের ফোন আসল
ছেলেটির কাছে......
মেয়েটির_মা কান্নাজড়িত কন্ঠে)
আমি
তোমাকে কিছু বলতে চাই, আমি এখন
হাসপাতালে..
আমার মেয়ে আর বেঁচে নেই।
ছেলে :- কি !! আপনি কি বলছেন?
মেয়েটির_মা :-1ঘন্টা আগে তার গাড়ি
এক্সিডেন্ট
করেছে।
ছেলেটি অবাক হয়ে মেয়েটির দিকে
তাকালো,দেখলো...... অন্ধকারে
মেয়েটি
মোমবাতি হাতে ছেলেটিকে বলল,
মেয়ে :-puchu, আমি আমার promise
রেখেছি........
.
....... "ভালোবাসার কাছে মরণ -ও
কিছুই
নয়, যদি
কাউকে সেই ভালোবাসাটা অন্তর
থেকে ভালোবেসে থাকা যা য়....
পোশাক হয়ে গেল ছোট,
.
লজ্জা চলে গেল।
.
রুটি হয়ে গেল পিজ্জা,
.
শক্তি কমে গেল।
.
ফুল হয়ে গেল প্লাস্টিকের,
.
সুগন্ধ চলে গেল।
.
মুখে লাগলো মেকআপ,
.
সৌন্দর্য হারিয়ে গেল।
.
শিক্ষক হয়ে গেল ব্যবসায়ী,
.
শিক্ষা চলে গেল।
.
খাবার আসছে হোটেল থেকে,
.
স্বাস্থ্য চলে গেল।
.
সিরিয়াল দেখছি টিভি তে,
.
সংস্কার চলে গেল।
.
মানুষ হল টাকার গোলাম,
.
মনুষত্ব্য চলে গেল।
.
ব্যবসা হয়ে গেল হাইফাই,
.
সমৃদ্ধি চলে গেল।
.
তালা হয়ে গেল পাসওয়ার্ড,
.
সুরক্ষা কমে গেল।
.
ভক্ত হয়ে গেল স্বার্থপর,
.
ভগবান ফিরে গেল।
.
পরিবার হয়ে গেল সোসাল মিডিয়া,
.
আত্মীয় পর হয়ে গেল।.