Long Romantic Sms


শূন্য করে চলে যাওয়া
মানুষ গুলো
কখনোই ফিরে আসে না,
আর সে ফিরে আসলেও
কখনোই সেই শূন্যতা
পূরণ করতে পারে না ।।
''''''পৃথিবীর সব স্বার্থপর মানুষগুলো আসলে
খারাপ না... কারো কারো স্বার্থপর হয়ে যাওয়ার
পেছনে প্রচন্ড কষ্টের একটা গল্প
আছে...সেই গল্পটা মানুষটাকে প্রতি মূহুর্তে
ফিস ফিস করে বলে: "আবার ভুল করতে যেওনা,
বোকা...একবারে শিক্ষা হয় নি??"
শিক্ষা পাওয়ার জন্য এক জীবনে একবার বোকা
হওয়াটা দরকার....এর বেশি দরকার নেই...একদম
দরকার নেই!!
মাঝে মাঝে খুব কষ্ট হয়,,, যখন মনে হয় আমি এতো বোকা কেন,,,,,,,,,
কেন একমুঠো সুখের স্বপ্ন দেখেছিলাম তোমার দু-চোখে,,
কেন বুঝতে পারিনি,,,,, ওটা স্বপ্ন ছিলনা,,, ওটা ছিল স্বপ্ন ভাঙার চাবিকাঠি
কেন তোমার মায়াবি হাসির মাঝে আমি দেখেছিলাম একরাশ মুক্ত ছড়ানো ঝলমলে জীবনের প্রতিচ্ছবি,,,
বুঝতে পারিনি,,,,,,, ওই হাসির আড়ালে লুকানো থাকা ছলনার মায়ারশি,,,,,
তোমার আবেগী হাতের আলতো ছোঁয়ায় পেয়েছিলাম নিজের ভালবাসার এক অন্যরকম অনুভুতি
বুঝতে পারিনি,,,, আমার সেই আবেগ, অনুভুতির মূল্য তোমার কাছে নিছক ফালতু এক পাগলামি
যার মাশুল সারাক্ষন শুধু আমার দু-চোখে অশ্রুজলের খানি...........
একটা ছেলে, একটা
মেয়েকে প্রপোস
করলো।
মেয়েটি ছেলেটি কে
পাত্তাই দিলোনা,
ছেলেটি
বলল
আমি তোমাকে একশো
দিন সময় দিলাম, তুমি
ভেবে দেখ,
আমি এইএকশ দিন
তোমার বাসার সামনে
থাকবো, এবং তোমার
জন্য অপেক্ষা করবো।
এই বলে ছেলেটি চলে
গেল, পরদিন
থেকে ছেলেটি সেই
বাসার সামনে অপেক্ষা
করতে
লাগলো।
এভাবে ৯৯ দিন চলে
গেল। মেয়েটি
ছেলেটাকে
ভালবেসে ফেলল,
আজ একশ দিন পুর্ণ
হবে, মেয়েটি আজ
ছেলেটাকে ভালবাসার
কথা বলবে, সে বাসার
সামনে গেল, কিন্তু
সেখানে ছেলেটাকে
দেখল
না, সেখানে একটা
চিঠি পেল,.
"আমি সত্যি তোমাকে
অনেক ভালবেসে
ছিলাম,
আমি বিশ্বাস
করতাম তুমি আমার
কাছে আসবে, আমি
যখন
তোমার বাসার
সামনে ঘুর ঘুর
করচিলাম, তখন
তোমার পাশের
বাসার
মেয়েটা আমাকে ফলো
করছিল, এক মাস
যাওয়ার
পর,
সে আমাকে অফার
করলো, আমি তাকে
তোমার
কথা বললাম,
সে তারপর আমাকে
পেতে চাইলো।
আমি তাকে কিছু
বললাম না,
যখন বৃষ্টি হচ্ছেল
তুমি হয়তো গায়ে
কম্বল
দিয়ে সুয়ে আছো,
তখন তোমার পাশের
বাসার মেয়েটা আমার
জন্য
ছাতা এনেছে,
তার চোখের লুকানো
পানি আমি দেখেছি,
তুমি
একবার ও বের
হয়ে দেখনি, আমি
কেমন আছি। আমি
তোমার
মতো স্বার্থপর
হতে পারিনি, আমি
আজ আমার সত্যি
কারের
ভালবাসার মানুষ
টাকে পেয়েছি,
তোমার কাছে আমার
কোন দাম নেই, কিন্তু
ওর
কাছে আমার
দাম অনেক,
তাই আমি আমার
ভালবাসার মানুষ টার
কাছে
চলে গেলাম। ভাল
থেকো,
চিঠি টা পড়ে মেয়েটি
কাঁদতে লাগলো। আমি
সত্যি বোকা,
তোমাকে আমি প্রথম
দিন থেকে
ভালবেসেছি,
কিন্তু বলিনি,
আমার প্রতি তোমার
ভালবাসা কতটুকু
পরিক্ষা
করার জন্য।
আমি বুঝিনি তুমি
অন্য কারো হয়ে যাবে।
তুমি
ফিরে এসো,
আমি তোমাকে সত্যি
অনেক ভালবাসি।
মেয়েটি কাঁদতে
লাগলো, কিন্তু অনেক
দেরী হয়ে
গেচে, ***
ভালবাসার মানুষ টাকে
পরীক্ষা করা ভাল,
কিন্তু
এমন
পরীক্ষা করো না যাতে
পরে তোমাকে কাঁদতে
হয়,..
সম্পর্ক কখনো শেষ হয়না।
শেষ হয় দুজনের দেখা।
শেষ হয় একসাথে পথচলা।
দূরত্ব বাড়তে বাড়তে দুজন দুদিকে চলে
গেলেই
সম্পর্ক শেষ হয়না...।।
আবার কখনো দেখা হয়,
কোনদিন দেখা না হলেও মনে পড়ে যায়।
মনের অজান্তেই মনে পড়ে যায়।
বিড়বিড় করে পুরনো কথা ভাবি আর বলি -
একটা মানুষ ছিল। সে মানুষটা কোথায়?..
কেমন আছে?..
ভালো থাকলে ভালো, খারাপ থাকলে আমার কি !
আমিও যে তেমন ভালো নেই!
তবু আলাদা হয় মানুষ, আলাদা হবার অভিনয়ে।
সম্পর্ক শেষ হয়না, আমরা রাখতে পারিনা।
সম্পর্কে জড়ালেই বিপদ, কখনো ভোলা যায়না।
প্রত্যেকটা মানুষই বিপদে আছে, যে যার মত
করে অল্প,
ভয়ংকর কিংবা নিষ্ঠুর "না ভুলতে পারা" জনিত
বিপদে...........।।
বিধি তুমি কোন কলমে লিখছো আমার ভাগ্য??
আমি কি নই
সুখের যোগ্য??
কেন হয়ে গেলাম আমি সবার চোখের বালি??
কপালের সুখ লিখতে কি তোমার কলমে ছিল না কালি??
******** ""জামাই ষষ্টি"" ******
শাশুরী:- দেখ বাবাজীবন,
তোমাকে এত ফল, মিষ্টি, মাছ, মাংস, বিরিয়ানী ইত্যাদি
ভালো ভালো রান্না করে খাওয়ালাম,
এত দামী দামী গিফ্ট ও পোশাক দিলাম,
এখন তোমার কাছে শুধু একটাই অনুরোধ, আমার মেয়েটাকে একটু সুখে রেখো বাবা
জামাই:- আপনার মেয়েকে সুখে রাখাটা কি আমার উপর নির্ভর করছে মা ?
তিনি আছেন তার জগতে।
সারাদিন রান্না বান্না ফেলে,
ঘর সংসার ফেলে ঐ কি বলে ফেসবুক না কি যেন ?
তাই নিয়ে মেতে আছেন,
তার এখন হাজার হাজার বন্ধু হয়েছে,
আমাকে আর পাত্তাই দেয় না,....
দেখুন সামনের বার আবার আমার যায়গায় অন্য জামাইকে খাওয়াতে হয় কিনা !!
Protom Prem - প্রথম প্রেম's photo.
সিটে বসে শান্তিতে ফেসবুক চালাচ্ছিলাম। বাড়িতে থাকলে মায়ের কথা শুনতে হয়। ফোন আমার হাতে দেখলেই জননী টিভির ভাষন শুরু হয়। আর দোষ মোবাইলের উপর দিয়েই যায়।
.
-এই যে একটু সরে বসুন।
কথাটি শুনেই মোবাইল থেকে চোখ সরিয়ে সামনে দাঁড়ানো মেয়েটির দিকে রাখলাম। এখন মনে হয় সব নজর এই মেয়ের দিকেই। মেয়েটি আবার বলল
-সরে বসুন আমি বসব।
এবারে কথা শুনে আমি থতমত খেয়ে গেলাম। তাড়াতাড়ি সরে গিয়ে মেয়েটিকে বসতে দিলাম।
.
মেয়েটি আমার পাশে বসতেই ফেসবুক থেকে মনোযোগ সরিয়ে তার দিকে দিয়ে ফেলেছি। সরাসরি মেয়েটির দিকে তাকাতে পারছি না বলে আড়চোখে তাকাচ্ছি। সরাসরি তাকালে আবার খারাপ ভাবতে পারে। মেয়েদের সামনে ভদ্র সাজা সবচেয়ে জরুরি।
.
আমি ফেসবুক আর মেয়ে দুদিকেও নজর রাখছি। মেয়েটি হঠাৎ আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-জল আছে?
আমি ব্যাগ থেকে বোতল বের করে এগিয়ে দিলাম। মেয়েটি জল খেয়ে আবার বোতল ফিরিয়ে দিল। আমি চুপচাপ বোতল নিয়ে ব্যাগে রেখে দিলাম।
.
মেয়েটি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল
-আপনি কম কথা বলেন নাকি বোবা?
মেয়েটির এমন কথায় আমি থতমত খেয়ে গেলাম। এই মেয়ে আমার সম্পর্কে তেমন জানেনা। আমি সুন্দররীর সামনে কি বলব বুঝতে পারছি না। তবুও মুখ খুলে বললাম
-আসলে ঠিক তা না।
-তাহলে কি?
-এমনিই।
.
আমার শেষ কথা শুনে মেয়েটি চুপ করে আছে। আমি মুখ খুলে বললাম
-আপনি কোথায় যাবেন?
-আমার দিদির বাড়িতে
-আপনি?
-দেশের বাড়িতে গিয়েছিলাম। এখন কাজে ফিরছি।
-ও। ভালই তো তাহলে।
.
মেয়েটি আর কিছু না বলে চুপ করে গেল। আমিও বেশি কিছু না বলে এবারে ফেসবুকে নজর দিলাম। কথায় আছে "যার কেউ নাই, তার ফেসবুক আছে।" কিন্তু আমার পাশে সুন্দরী একটা মেয়ে থাকলেও আফসোস হচ্ছে।
.
ভাবছি মেয়েটির ফেসবুক আইডি চাইব নাকি? এখন ফোন নাম্বার চাইতে অভদ্রতা হলেও ফেসবুক আইডি চাইতে অভদ্রতা নেই। ব্যাপার টা আমার ভালই লাগে কিন্তু। এক বোতল জল দিয়েই ফেসবুক আইডি আশা করা যায়না। মনকে সান্তনা দিয়ে চুপ হয়ে গেলাম।
.
মেয়েটি হঠাৎ করে আমার দিকে ঝুকে গেল। আমাকে ভেদ করে জানালার বাইরে কিছু দেখল নাকি আমার মোবাইল এর দিকে তাকাল সেই ব্যাপার নিশ্চিত না। জিজ্ঞেস করতে গিয়েও করলাম না। মেয়ে মানুষ, ঝামেলার শেষ নাই।
.
বাস থামতেই মেয়েটি নেমে গেল। তারপরে আর আমাদের কথা হয়নি। মেয়েটি চলে যেতেই আমি আবার ফেসবুকে মনোযোগ দিলাম।ফেসবুক থাকায় যাত্রা ভালই জমছে।
.
টুং করে মেসেঞ্জারে শব্দ হতেই আমি মেসেজ দেখলাম। "অধরা অথৈ" আইডি থেকে মেসেজ এসেছে। সেখানে লেখা
-সুন্দরি মেয়ে দেখলেই ওভাবে তাকাতে হয়? মেয়েটিকে ভাল লেগেছে নাকি?
মেসেজ দেখেই অবাক হয়ে গেলাম। এই মেয়ে কোথা থেকে এল!! আশেপাশে তো অথৈ'কে দেখতে পাচ্ছিনা।
.
আমি মেসেজ দিলাম
-মানে কি?
-তেমন কিছু না। আমি বলেছিলাম, সামনাসামনি দেখা হলে একটা ব্যাপারে ক্ষমা চেয়ে নিব। আমি আসলে সেদিন তোমাকে অন্যজনের ছবি দিয়েছিলাম। সামনাসামনি দেখা হলে ক্ষমা চেয়ে তোমাকে ভাল লাগার কথা বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে দেখে যেভাবে তাকালে, তাতে মনে হয় আমাকে ভাল লেগেছে। সেখান থেকে ভালবাসা শুরু হতে আর কতক্ষন.. মিস ইউ ।
.
মেসেজটা দেখে আমি চুপ হয়ে গেলাম। আসলে খুব অবাক হয়েছি। এত কাছে পেয়েও বুঝতে পারলাম না। বেশি কিছু না লিখে, শুধু লিখলাম
-পরে তোমার খবর আছে। পরে কথা হবে।
.
ফোন পকেটে রেখে ভাবছি কি খবর করা যায়। কিন্তু এদিকে আমার নিজের'ই খবর হয়ে গিয়েছে।...
মেয়েটি নামঃ (মন)
ছেলেটির নামঃ(অবুঝ)
ওরা দুজন এক কলেজে পড়ত.......।
মেয়েটি খুব ভদ্র টাইপের
ছেলেটি একটু দুষ্ট টাইপের............।
......
মেয়েটি কলেজে আসার সময় এদিক বা ওদিক
কোনো দিক দিয়ে থাকাত না......
সোজা নিচের মাঠির দিকে চেয়ে চেয়ে
আসত...।
কোনো ছেলের সাথেও কথা বলত না......।
এই বিষয়ে কলেজের কিছু ছেলে মেয়েটিকে
অহংকারি বলে বা দেমাগিও বলে.........।
...
একদিন কলেজের কয়েক জন ছেলে বন্ধু
অবুজের সাথে বসে জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছে.।
হটাত্ করে(মন)মেয়েটির কথা ওকানে উঠল.।
প্রত্যেকটি ছেলে মেয়েটিকে অফার দেয়
কিন্তু মেয়েটি সবাইকে না বলে দেয়...........।
....
অবুঝ বলে দেয় তোরা এসব কথা গুলো
আমাকে বলছিস কেনো...ওরা বলে তুমি একটু
দুষ্ট টাইপের তুই পারবি তুই ছাড়া আর কেও
পারবে না মেয়েটিকে পটাতে..................।
তুই যদি ওকে পটাতে পারিস তাহলে আমাদের
পক্ষ থেকে 10.000হাজার টাকা তুই পাবি.।
এইটা মনে করবি তুর লাইফের প্রথম বাজি....।
সময় মাত্র 60দিন...। অবুঝ আবার
এটাও বলে FRIENDS SHIEP(and)LOVE
এর দুটো থেকে একটা হলে চলবে...
ওরা বলে হ্যা চলবে....................।
তখন অবুঝ বলে ফেলল OK.DANE.......।
......
তখন মেয়েটির পেছনে ছুটতে বাদ্য হয় অবুঝ..
প্রত্যেকটা দিন মেয়েটিকে বিরক্ত করত অবুঝ..
সেই বিরক্ত টা সহ্য করতে না পেরে মেয়েটি
ফ্রেন্ডশিফ করতে বাদ্য হল অবুঝের সাথে..।
কয়েক দিনের মধ্যে ওদের বন্ধুত্বের পাশা-
পাশি
ভালোবাসার মায়াতে জড়িয়ে পড়ল ওরা দু-জন.।
....
অবুঝ কিন্তু একেবারেই ভুলে গেয়েছিল
বন্ধুদের সাথে বাজি ধরার সেই কথাটা.......।
কিভাবে মনে রাখবে(অবুঝ আর মন)
ওদের সম্পর্ক টুকু এত কাছে চলে এসেছে যে
একজনেরও খাওয়া দাওয়ার কোনো ঠিক নেই.।
মনে হচ্ছে দুঃজনেই সুখের সাগরে ভাসতেছে...।
....
অন্যদিকে মেয়েটির বাবা বিদেশ ফেরত একটা
ছেলের সাথে বিয়ের কথা ফাইনাল করে
ফেলল.।
বিয়ের কথাটা মন বুঝতে পেরেছে যে ওর
বিয়ে হয়ে যাবে এই কয়েক দিনের মধ্যে.....।
কিন্তু অবুঝকে কিভাবে বুঝাবে ও.ওরা একে
অপরকে নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসে....।
একদিকে নিজের ফ্যমেলি অন্যদিকে
ভালোবাসা.।
....
তারপর মন একদিন কলেজে এসে সব কিছু
জানতে পারলো এবং বুঝতে পারলো অবুঝ ওর
সাথে বাজি ধরেছিলো 10.000টাকার জন্য..।
......
মনতখন বাসাই গিয়ে 10.000টাকা নিয়ে
আসে অবুঝের মুখের উপরে ছুড়ে মারার জন্য.।
এই নাও তোমার ভালোবাসার বাজি......॥
...
অবুঝ বলে হ্যা আমি বাজি ধরে ছিলাম ঠিকিই
তোমাকে ভালোবাসার আগেই বাজি ধরলাম
কিন্তু আমার ভালোবাসা টুকু বাজি না
আমার ফ্রেন্ডশিফ টুকু বাজি না
তোমার সাথে কাটানো মুহুর্ত গুলো বাজি না..
আমি আমার দিব্দি খেয়ে বলতেছি.........।
এত কিছু বলার পরেও মন বুঝতে চাইল না.।
.....
মন সবার সামনে সব সম্পর্ক ত্যাগ করে
বিদায় নিল কলেজে আর কখনো আসবে না.॥
আরও চাইলেও আসতে পারবে না...
কারণ ওর ত কয়েক দিন পর বিয়ে.........॥
......
সেই ধাক্কা টা খেয়ে অবুঝ একেবারেই
নিঃস্ব..
অবুঝকে একটু সান্তনা দেওয়ার মত কেউ নেই..
আজও সেই অবুঝটা বড্ড বেশি খুব একা.......।
.......
বিধাতার কাছে শুধু একটি প্রশ্নই করে বেড়ায়
আমার লাইফের মুল্য কি.....?
10.000টা...!!
আচ্ছা আপনি প্রতিদিন এমনভাবে
পড়াতে
আসেন কেন? আর পড়ানোর সময়ে শুধু
বইয়ের
দিকেই তাকিয়ে থাকেন কেন?
ছাত্রি রিমির মুখে এমন কথা শুনে মনির
চুপ
করে থাকলো। কিছু সময় পরে বলল
-এমনি আমার ভাল লাগে তাই।
-আপনার ভাল লাগে শুধু অন্য কারো
তো ভাল
লাগে।
-পড়া দেখ।
-আচ্ছা আপনি শুধু অন্য কিছু বোঝেন
না?
-পড়ানোর জন্যই আমি আসি। তাই
পড়ানোর
কথাই ভাবি।
-আপনি শুধু পড়ানোটাই বুঝলেন কারো
মনের
কথা বুঝলেন না।
কিছু সময় পরে রিমি মনিরকে বলল
-আচ্ছা আপনি কাউকে ভালবাসেন?
-হ্যা।
-কাকে ভালবাসেন?
-সেটা কি বলা জরুরি?
-বলেন না।
-আমার বাবা মাকে।
-আমি ওই ভালোবাসার কথা বলি নি।
আপনি
সব কিছু কম বোঝেন কেন?
-আমি কমই বুঝি।
-আপনি কাউকে বুঝেন না কোনদিন।
আপনার
সাথে কথা বলাই বিথা।
মনির চলে যাও রিমি মনে মনে বলল
-আমি যে আপনাকে কতটা ভালবাসি
সেটা
কোনদিন বুঝলেন না শুধু পড়ানোটাই
বুঝলেন।
আসলে আপনি একটা গাধা।
রিমির কথাগুলো মনিরের বেশি মনে
পরছে।
মনির আসলে কম বোঝে না। মনির
রিমির
কথাগুলো ঠিকই বুঝেছে। কিন্তু প্রকাশ
করে
নি।
কারন মনিরের মনে যে ভালবাসা আছে
সেটা
প্রকাশ করলে কিছুদিন পরে হয়তো
মনিরের
টিউশানিটা থাকবে না।আর টিউশানি না
থাকলে মনিরের পেটে খাবার জুটবে না।
আর
থাকার জায়গাও থাকবে না।
ভালবাসা ছাড়া মানুষ বাচে না। আবার
পেটে
খাবার না থাকলে আর মানুষের চাহিদা
পুরন
না হলে সে ভালবাসার কোন দাম থাকে
না।
টিউশানি বাচাতে গিয়ে মনিরের
ভালবাসা
মনের মাঝেই রেখে দিল। থাক না সেটা
নিরবেই।