Long Romantic Sms


— তুমি সিগারেট খাও?
— না।
— কেন খাও না? ছেলেরাতো ব্রেক্কাপ
হলেই
সিগারেট খায়। একটু কষ্ট পেলেই সিগারেট
খায়। আমি
চলে যাওয়াতে তুমি কষ্ট পাওনি?
— আমি অন্য সবার মতোনা।
— আমি চলে যাওয়াতে কষ্ট পাওনি?
ছেলেটা চুপ। অদ্ভুত প্রশ্ন। এমন প্রশ্নের
উত্তর চোখের
পানি ছাড়া হয় নাকি?
তবে ছেলেটার চোখে আজ পানি নেই। সব
শুকিয়ে
গেছে।
মেয়েটা একই প্রশ্ন দুবার জিজ্ঞেস করেও
যখন উত্তর
পায়নি, তখন সে বুঝে গেছে ছেলেটাকে
মেরে আবার
জীবিত করলেও এর উত্তর বের করা সম্ভব
না। কারন
তিনবছর ছেলেটার সাথে কাটিয়েছিল সে।
সে জানে
ছেলেটার ভাল লাগা, মন্দ লাগা।
ছেলেটার প্রতিটি
আচরন মেয়েটার মুখস্ত।
মেয়েটা ছেলেটাকে ভালভাবে দেখছে।
আগের মতো নেই ছেলেটা। অনেক শুকিয়ে
গেছে।
চুলগুলো উসকো খুসকো। মুখে অ্যামাজন
বনের মতো
দাঁড়ি, মোচ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
দেখলেই বুঝা যায় মাত্র ১৭ দিনেই বড় একটা
ধকল
গেছে ছেলেটার উপর।
মেয়েটা আবার রাগীস্বরে বলতে শুরু করল,
চোখ লাল কেন? নেশা করো?
ছেলেটা বিড়বিড়িয়ে বলল, কেউ একজন
একদিন
বলেছিল, আমি যদি কখনো নেশা করি তবে
সে মুখে
যেন তার নাম উচ্চারণ না করি।
— ও। সেই 'কেউ একজন' বলেনি প্রতিদিন
ঠিকমতো
খাওয়া দাওয়া করতে? অগোছালো চলতে
না?
ছেলেটা নিশ্চুপ....
মেয়েটাকে বুঝাবে কি করে, এই কদিনে
মেয়েটার
ভাবনায় নিমগ্ন হয়ে খাওয়ার কথা দিব্যি
ভুলে
যেতো সে। খায়নি বলে কেউ রাগ করতো
না।
মেয়েটার রাগটাকে খুব মিস করেছে।
প্রতিরাতে
কেঁদে রাত পার করেছে।
কেউতো চোখের পানি মুছে দিবে বলে ছুটে
আসেনি।
.
— আমি চলে গেছিলাম মাত্র ১৭ দিন। এই
কদিনেই কি
অবস্থা বানিয়েছো শুনি?
বিয়ের পরতো বাপের বাড়িতে ৩০ দিন করে
বেড়াতে
যাবো। তখন কি করবে হুম?
.
ছেলেটা মেয়েটার দিকে তাকালো।
মেয়েটা এসব
কি বলছে??? সত্যি বলছেতো তো।
মেয়েটার চোখ দিয়ে পানি বেয়ে পড়ছে।
ছেলেটা নিমগ্নচিত্তে দেখছে। মেয়েরা
কাঁদলেও
খুব সুন্দর লাগে দেখতে। তাই বলে
কাঁদার সৌন্দর্য দেখতে মেয়েদের কাঁদাবে
তাও
কিন্ত নয়। কিছু লুকানো সৌন্দর্য ও সুন্দর।
ছেলেটা বাচ্চার মতো কেঁদে দিল। ১৭
দিনের রাগ
একত্রে বেয়ে পড়ছে চোখের পানিতে।
মেয়েটা ওড়না দিয়ে মুছে দিল ছেলেটার
চোখের
জল।
অতঃপর বলল, "স্যরি"।
ছেলেটা আরো জোরে কেঁদে উঠলো। একটা
ভাঙা
রিলেশন জোড়া লাগাতে এবং ছেলেটার
কান্না
বাড়িয়ে দিতে এই একটা " স্যরি"ই যথেষ্ট
ছিল।।।
তোমায় ঘিরে যে ভাললাগা
হয়নি বলা ভাষায়
হাজার ভিড়ের মাঝে খুঁজে পাওয়া
সেই তুমি আজ কোথায়..
তোমাকে নিয়ে সেই স্মৃতিরা
শুধু খুঁজে ফেরে
কি যেন কি ভেবে আছো সুদূরে
এসো না ফিরে...হৃৃদয়ে।
মনের আকাশে মেঘের ভেলা বেদনার বৃষ্টি ঝরে এতো কাছে ছিলে তবুও
পারিনি কেন তোমায় বোঝাতে ..
তোমাকে নিয়ে স্বপ্নগুলো
আজো খুঁজে ফেরে
কি যেন কি ভেবে হারিয়ে গেলে
এসো না ফিরে...হৃৃদয়ে।
এই এই এই ।।
- কি হল ?
- তুমি যে একটা বলদা মার্কা ছেলে তা জানলে
জীবনেও তোমাকে ভালবাসতাম না ।"
ছেলেটি অবাক হয়ে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে
ভাবছে 'এই চঞ্চল মেয়েটা আসলে কি চায় তাঁর
কাছে ?'
মেয়েটা দু-পা সামনে এগিয়ে বলল
- "ঐ দিকের দোকানটাতে অনেক ভালো
আইসক্রিম করে, চল দুজনে আইসক্রিম হাতে
কিছুটা হাঁটি "
- চলেন যাই !!
ছেলেটা আর মেয়েটা হাঁটতে শুরু করে ... কিছুদূর
যেতেই হুট করে ছেলেটা থেমে যায় ...
- কি হল ? থামলে কন ?
- আমার কাছে না দুইটা আইসক্রিমের টাকা নেই
।। শুধু একটা আইসক্রিমের টাকা আছে ।
- প্রবলেম নেই , আমিই খাওয়াচ্ছি তোমাকে।
ছেলেটি আমতা আমতা করে বলে
- নাহ নাহ আমিই খাওয়াচ্ছি ...
- আচ্ছা ।। তোমার এঁটো করা আইসক্রিম খেতে
আমার কোন সমস্যা নেই ।।
শরতের বিকালে আকাশ চুম্বি হলুদ পাতার
গাছের নিচ দিয়ে হেঁটে চলছে দুইজন মন্থর।
হাতে একটা আইসক্রিম কিন্তু কার এঁটো কে
খাচ্ছে তা বুঝা আজ মুশকিল !
বুকের ভেতরটা শূন্য হয়ে আসছে ক্রমশঃ। এমন একটা মোচড় দিয়ে উঠলো যেন স্বজন হারানোর যন্ত্রণা অনুভব করলাম। অন্যদিন প্যান্টের পকেটে রাখা ফোনটার থেকে জামার ভেতর দিয়ে কানে গুঁজে নি হেডফোনটা। অনেকে এটাকে হ্যান্ডস ফ্রি, ইয়ার ফোন ইত্যাদি বললেও আমি বলি হেডফোন। সে যাই হোক, আজ সেটা কেমন করে ভুলে গেলাম জানি না। প্রথমবার এরকম হলো। রাস্তায় বেরিয়ে গান শুনবো বলে পকেটে হাত দিয়ে দেখি নেই। কিছুতেই মানতে পারছি না এতোটা উদাসীন আমি কি করে হতে পেরেছি। অনেক ভেবেও কিছুতেই মনে করতে পারলাম না ওটা কোথায় রেখে...
আজও তুই ততোটাই উজ্জ্বল যতটা ছিলিস বিগত শতাব্দীতে,
আবারও আমি মুগ্দ্ধ তোর প্রেমে,
চতুরদিক ঘিরে শুধুই তোকে কাছে পাবার অলীকস্পর্শ।
জানিস কি তুই রোজ সন্ধেতে তোকে হাতরাই মেঘেদের মাঝে,
রাত পোহাতেই হারিয়ে যাস কোন দেশে!
দূরত্বটা অনেক;
হয়তো অসীম ,
কিছুটা নিছক কল্পনা!
জানি তুই অন্য কারো সংসার
আমি তো বৃথাই এক পাগল প্রেমীক।
এই শোন!!
--বল!
--আমাকে কিন্তু অনেক ভালবাসতে হবে।
--ওকে।
--শুধু ওকে না।আমি যেন কোন কিছু না বলার
আগেই পেয়ে যাই।
--আচ্ছা ঠিক আছে।
--আমাকে সময় দিতে হবে।
--অফিসের টাইম ছাড়া বাকি টাইমটুকু
তোমার।
--মাঝেমাঝে অফিস থেকে ছুটি নিবা।আর
প্রত্যেক সপ্তাহে আমাকে নিয়ে রিক্সায়
করে ঘুরতে বের হবা।
--আপনার সব শর্ত মেনে নিলাম।
.
আসলে বিয়ের পর সব স্ত্রীগুলাই তার
স্বামীকে অনেকগুলো শর্ত জুড়ে দেয়।আর
স্বামীরাও বোকার মত হ্যা বলে দেয়।এটাই
ভালবাসা।
যখন ঘুরতে যাবার জন্যে দুজন কোন দিন ঠিক
করে। আর স্ত্রী তার নিজের পছন্দ মত
সাজগোজ করে আর ঐদিকে স্বামী তার
অফিসের কাজে আটকে যায়।ফিরে রাত ১০
টায়।বাসায় এসে যখন স্ত্রীর সামনে কান ধরে
বলে সরি।তখন স্ত্রীর সারাদিনের এত্তগুলা
রাগটা একেবারে আগুন জল হয়ে যায়।এটাই
ভালবাসা।
.
স্বামী যখন অনেক রাত করে বাড়ি ফিরে। আর
স্ত্রী তখন ক্ষুধার্ত পেট নিয়ে খাবার
টেবিলে বসে থাকে সামনে খাবার থাকা
সত্ত্বেও কারন স্বামী আসলে একসাথে খাবে
বলে এটাই ভালবাসা।
.
স্বামী স্ত্রী যখন মার্কেটে যায় মার্কেট
করতে।আর স্ত্রী যখন একটা শাড়ি পছন্দ করে
যখন দেখে শাড়িটার দাম পাচঁ হাজার টাকা।
তখন স্ত্রী যেকোন একটা অজুহাত দেখিয়ে
শাড়ি না কিনেই চলে যায়।এটাই ভালবাসা।
আর এই শাড়িটাই যখন তার স্বামী পরে সেই
মার্কেট থেকে কিনে নিয়ে এসে স্ত্রীকে
দেয়।আর স্ত্রী যখন জল ভর্তি চোখ নিয়ে
স্বামীকে জড়িয়ে ধরে এটাও ভালবাসা।
.
স্বামীর জন্যে যখন টানাটানির সংসার খরচ
থেকে অল্প অল্প করে একটা শার্ট আরেকটা
প্যান্ট বানিয়ে স্পেশাল কোনদিনে
স্বামীকে গিফট করে।এটাও এক প্রকার
ভালবাসা।
.
আসলে ভালবাসার অনেক উপায় হয়।
ভালবাসার উপায় বলে শেষ করা যাবে না।বড়
বড় রেস্টুরেন্টে না গিয়ে পার্কের ভিতর
গাছের নিচে বসে দুজন দুই কাপ চা। আর দুটো
বিস্কুট খেয়ে লাঞ্চ শেষ করা এটাও
ভালবাসা।আসলে ভালবাসার জন্যে অত
টাকা অত অর্থ লাগেনা।লাগে সুন্দর একটা মন।
যেই মনের ভিতর অফুরন্ত ভালবাসা থাকতে
হবে।
ভালবাসা কি খেলনা?
ইচ্ছা হল খেললাম,ইচ্ছা হল
ভেঙে দিলাম?অনেকেই
বলতে শুনি ওর সাথে ব্রেক-আপ
করে ফেলব সাথে রিলেশন
রাখবো না..যদি এটা ভাবেন
তাহলে সেদিন রিলেশন কেন
করেছিলেন? কেন এত দিন
সেটা বয়ে এনেছেন? আজ বলেন
আমার এই সমস্যা,ওই
সমস্যা এই কারনে রিলেশন
রাখবো না.. তাহলে সেদিন কেন
ভাবেন
নাই?
একটা মানুষকে হাসানো অনেক
কঠিন কিন্তু
তাকে কাঁদানো অনেক
সহজ...বিশ্বাস একটা কাগজের
মত...
একবার ভাজ করলে তার
পর আগের মত করার যতই
চেষ্টা করেন কখনোই আগের
মত হবে না...
এক এক জন স্বার্থপরের মত
বলে বসেন আমি সরে গেলে ওর
জীবন
সুন্দর
হবে..আসলে কি তাই?ওই
ছেলেটা বা মেয়েটা কি আপনাকে
তার সাথে আপনার সম্পর্কের
আগের
সময়ে তাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে
ভালবাসায় কোন
রিপ্লেসমেন্ট হয়না.. মানুষ
ভুল করবে এটাই স্বাভাবিক
তাই বলে একজন ভুল কিছু
করেছে বলে তাকে ছেড়ে চলে যেত
ভুল গুলো কি শুধরে দেয়া যায় না?
একটা কথাই
বলবো কাউকে ভালবাসলে বাসার
মতই
বাসেন চিরদিন
যদি ভালবাসতে পারেন
তাহলে ভালবাসবেন,
তা না হলে ভালবাসার
দরকার নেই
ভালবাসা আয়না না,একটা ভেঙে গেলে
আরেকটা কিনে নিলাম
কি অদ্ভুত ভালোবাসা।
বল্টু আর পল্টু দুই বন্ধু গল্প করছে.....
বল্টু : জানিস দোস্ত আমি ছোটো বেলায় একবার হেলিকপ্টার থেকে পরে গেছিলাম।
পল্টু : কিহ! তুই মারা যাসনি?
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
বল্টু : কি জানি, মনে নেই রে!! অনেক ছোটো বেলার কথা তো তাই ভুলে গেছি। মারা গেছিলাম কিনা!
bondhder hasate
‪#‎like_‬@_share_must
সুনদর সুনদর হাসির জোকস , গলপো পরতে পেজ টি লাইক দিন...
বিকেল পাচঁটা স্কুল থেকে মাত্র
ফিরে আসলাম।কিন্তু রেহাই নেই।আবার
ছুটে চলতে হবে প্রাইভেটের
উদ্দেশ্যে স্যারের বাড়িতে।আজ একটু
তাড়াতাড়ি যেতে হবে।কারন আজ আবার
পরিক্ষা আছে।তাই ফ্রেশ
হয়ে কাধে ব্যাগটা ঝুলিয়ে ছুটে চললাম
স্যারের বাড়ির দিকে।আমি যাবার
আগে দেখি সবাই হাজির।কিন্তু সবার
মাঝে নতুন একজনকে দেখলাম।যাকে
প্রথম
দেখাতেই য়ামার নজর আতকে
গেলো।
কি সুন্দর দেখতে,কি মায়াবী তার চোখ
দুটো।প্রথম দেখাতে যে কেউ
ক্রাশ
খাবে।
.
.
.
কিছুক্ষন পর স্যার আসলেন।স্যার
এসে আমাদের সবাইকে তার সাথে
পরিচয়
করিয়ে দিল।মেয়েটির নাম ছিল আরশি।
মাঝে মাঝে তার
সাথে পড়া নিয়ে কথা হত।কারন আমি এই
বিষয়টা একটু ভাল পারতাম।এভাবে ফোন
নাম্বার আদান প্রদান হয়।
মাঝে মাঝে রাতে পড়া নিয়ে কথা হত।
সেখান থেকে পরিচয়।
আস্তে আস্তে আরশির সাথে
বন্ধুত্বের
একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মেয়েটা খুব
অভিমানী ছিল।সামান্য বেপার
নিয়ে রাগ করত।এভাবে চলতে চলতে
কখন
যে তাকে মনের
অজান্তে ভালবেসে ফেলেছি তা
বুঝতে পারিনি।
কিন্তু তাকে যে ভালবাসি তা এখনও
বলা হয়ে ওঠেনি।অনেকবার
বলতে চেয়েছি কিন্তু বন্ধুত্ব হারানোর
ভয়ে বলতে পারিনি।তাই সিদ্ধান্ত
নিয়েছি ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব
ভালবাসা দিবসে তাকে বলে দেবো
আমার
মনের কথা।
.
.
.
১৩ই ফেব্রুয়ারি।রাত ১০টা।ফোন করলাম
আরশিকে
--কিরে কেমন আছিস।
.
--এইত ভাল।তুই
.
--ভাল।আচ্ছা কাল আমার সাথে বিকাল
তিনটের সময়।পার্কে দেখা করতে
পারবি।
.
--আচ্ছা ঠিক আছে।
.
.
.
coming soon !!!!!!!!!!!!!!
মানুষ তখন কাঁদে,
যখন
মনের সাথে যুদ্ধ করে
হেরে যায়।
আপন পর
হয়,
স্বপ্ন ভেঙ্গে
যায়,
তখন বুকের চাপা
কষ্ট গুলি চোখ্
দিয়ে অস্রু
হয়ে জ্বরে~~~~