Long Romantic Sms


পরের দিন।১৪ই ফেব্রুয়ারি।বিকেল ৩টা।
বেঞ্চের এককোনে বসে আছি।
আমি কিছুটা আগে চলে আসছি।কিছুক্ষন
পর
আরশি আসলো।
--কিরে কি জন্য
ডেকে আনলি বল।
.
--বলব এত ব্যাস্ত হচ্ছিস কেন।আর
আসতে এত
দেরি করেছিস কেন।
.
--কই দেরি করলাম।বল না কি জন্য
ডেকে এনেছিস।
.
--আচ্ছা আরশি আমাকে তোর কেমন
লাগে।
.
--কেমন লাগে মানে।এই জন্য
ডেকে আনলি।ফোনে বলতেই
পারতি।এত
কষ্ট করে আসা লাগত না।
.
--আচ্ছা বল না।
.
--আচ্ছা বলছি।তোকে আমার অনেক
ভাললাগে...... হয়েছে??
.
--আচ্ছা এই
ভাললাগা টাকে কি ভালবাসায় পরিনত
করা যায় না।
.
--ফাজলামো রাখ।
কি বলবি তাড়াতাড়ি বল।
.
--দেখ আরশি।তোকে।।যদি আমি প্রথম
দেখি।প্রথম দেখাতেই ভাললেগে
যায়।
যা আস্তে আস্তে ভালবাসায় পরিনত হয়।
সত্যি আমি তোকে ভালবাসি।
.
--আমার পক্ষে তার সম্ভব না।
.
--কিন্তু কেন।
.
.
.
আর কোন কথার উত্তর
না দিয়ে আরশি উঠে চলে গেল।
সেদিনের
পর থেকে আমি আর প্রাইভেট
পড়তে যাইনি এবং তাকে ফোনও করিনি।
২৪শে ফেব্রুয়ারি স্কুল থেকে এসে
কখন
যে ঘুমিয়ে পড়েছি তা টের পাইনি।
পাশে রাখা মোবাইলে রিং শোনার
আওয়াজে ঘুম থেমে জেগে উঠলাম।
কলটা রিসিভ করার পর
--কই তুই(আরশি অন্য এক নাম্বার থেকে
কল
করেছে।)
.
--বাড়িতে।
.
--পড়তে আসবি না।
.
--যার জন্য পড়তে যেতাম সেই
ভুলে গেছে।
তাহলে কার জন্য পড়তে যাব।
.
--কেউ ভুলে যায় নি।তুই পড়তে আয়।
.
--আচ্ছা আসছি।
.
.
.
পড়ার আগে তার সাথে কোন কথা হয়নি।
কারন আমি যাবার আগেই স্যার পড়া শুরু
করে দিয়েছে।পড়াশেষে
--কি জন্য ডেকে আনলি বল।
.
--কি জন্য মানে তুই কি আর
পড়তে আসবি না।
.
--এটার জন্য ডেকে আনতে হবে।
.
--না কথা আছে।
.
--তাহলে বল।
.
--সেদিনত ভালবাসিস
বলে চলে গিয়েছিলি।আমার
কথাটা শুনতে চাস নি।
.
--কি শুনব।তুই ত বলে দিয়েছিস তোর
পক্ষে সম্ভব না
.
--কিন্তু এখন সম্ভব।
.
--তাহলে সেদিন না করেছিলি কেন।
.
--মনে করেছিলাম
তোকে ছাড়া থাকতে পারব।কিন্তু এক
মুহূর্ত
থাকতে পারছি না।
.
--তা এখন আমাকে কি করতে হবে।
.
--কেন তুই কি এখন আমাকে ভালবাসিস না।
.
--হ্যা বাসি
.
--তাহলে বল।
.
--কি বলব।
.
--সেদিন বলতে চেয়েছিলি।
.
--তুই আগে বল।
.
--না তুই আগে।
.
.
এভাবেই চলতে থাকে
ভালবাসা।
মেয়েঃ আমি যদি তোমাকে বলি
যে আমি তোমাকে লাইক করি।
তাহলে তুমি কি হেঁসে উড়িয়ে
দেবে?
ছেলেঃ হ্যাঁ।
মেয়েঃ কেন?
ছেলেঃ কারন আমি জানি তুমি আমাকে
লাইক না লাভ করো
ভালোবাসা কোন সস্তা জিনিস না
...
কয়েক বার I Love you বললেই
ভালোবাসা হয়
না ...
জানু, বেবি" - সম্বোধন করলেই বুঝা
যায় না
সে
আসলেই তোমাকে ভালোবাসে
কিনা !!
ভালোবাসতে "CARE" লাগে ...
ভালোবাসতে "SHARE" লাগে !!
তোমাকে যে আসলেই ভালোবাসে,
সে তার দিনের প্রতিটা মূহুর্তের কথা
তোমার
সাথে SHARE না করে পারবে না ...
তার ভেতর খচ খচ করতে থাকবে
কথাগুলো
বলার
জন্য সে উশখুশ করতে থাকবে ।
সবকিছু না বলা পর্যন্ত, সবকিছু না
SHARE করা পর্যন্ত সে একদম
শান্তি পাবে না !!
তোমাকে যে আসলেই ভালোবাসে,
সে তোমার দিনের প্রতিটা মূহুর্তে
তোমার CARE না করে পারবে না ।
সকালে ঘুম ভাঙতেই বালিশের নিচ
থেকে
মোবাইলটা হাতড়ে বের করে সে
তোমার খোঁজ নিবে ...
ক্লাসের ফাঁকে, কাজের ফাঁকে হঠাৎ
তার মনে হবে ,আচ্ছা ও কি করতেছে
এখন ?
দুপুরের খাবারটা মুখে তোলার আগে
সে
জিজ্ঞেস করবে তুমি খেয়েছো
কিনা ...
সে ব্যস্ততার অজুহাত দেখাবে না ...
বরং সে তোমার CARE নিতেই ব্যস্ত
থাকবে !!
তোমাকে সত্যি সত্যি হাসাবে,
এবং তোমাকে সত্যি সত্যি কাঁদাবে
...
ভালোবাসা খুব কঠিন না ... বরং
ভালোবাসার মর্ম বুঝে এরকম মানুষ
পাওয়াটাই বড্ড
বেশি কঠিন ।
না পড়লে হয়ত জীবনের মজাই মিস করবেন...
রহিতঃ নিশাকে ফোন করে বলে আজ আমাদের ব্রেকাপ
নিশাঃ
হুম তাই।
রহিতঃ
কাল থেকে আর কল করবে না
নিশাঃ
না কাল আমি অন্য একজনের বউ হয়ে যাবো
রহিতঃ
কথা গুলা খুব সহজেই বলে দিলে যে
নিশাঃ
আমাকে নিয়ে পালাতে পারবে আজ রাতে।রহিতঃ
না আমাদের মা বাবা মেনে নেয় নি পরেও মানবে না।
নিশাঃ
হুম ভালো থেকো।
রহিতঃ
রাত বারটায় নদীর ধারে চলে এসো।তোমার জন্মদিনটা শেষ বারের মত একসাথে করতে চাই।
নিশাঃ
এটাই শেষ কিন্তু এরপরে আমরা আর যোগাযোগ রাখবো না।
রহিতঃ
অবশ্যিই রহিত আর
নিশাঃ
দুজনে মিলে রাত বারটা নদীর ধারে বসে আছে। মাঝখানে ছোট্ট একটা কেক মোমবাতি জ্বলছে। দুজনে একসাথে ছুরিটা কেকের উপর বসালো আর রহিত বলল happy birthday নিশাতার পরে নিশা কে একটুকরেকেক খাইয়ে দিল
রহিতঃ
কেকটা অনেক মজার না
নিশাঃ
হুম মজার
রহিতঃ
চকলেট কেক তোমার ফেভারিট।
নিশাঃ
হুম তুমি খুব ভালো একটা ছেলে।
রহিতঃ
কিছু বলে না
নিশাঃ
রহিত কে বলছে তোমার সাথে কাটানো প্রতিটি সময় আমার মনে থাকবে। খুব সন্দর ছিলো সময় গুলো।ভালো থেকো আর আমাকে ভুলে যেও আমাদের রিলেশন এখানেই শেষ করছি।নিশাউঠে গিয়ে হাটতে থাকে রহিত নিশ্চুপ দাড়িয়ে থাকে ।নিশা একবারের জন্য থমকেদাঁড়ায়।তারপরে পিছনে ফিরে রহিতের দিকে এগিয়ে যায়।নিশাঃ
আমাদের রিলেশন হয়ত শেষ
রহিতঃ
হুম শেষ
নিশাঃ
তোমার প্রতি আমার কোন অধিকার নাই এখন।
রহিতঃ না নেই
নিশাঃ
তবুও তোমার হাতটা ধরি প্লিজ।রহিতঃ
ধরবে ধর।
নিশাঃ
একবার শক্ত করে জড়িয়ে ধরে তার পরে দুজনে কেঁদে চলছে।শেষ কান্না। নিশাআবার চলে যাচ্ছে।
রহিতঃ
নিশাকে ডাকে এই নিশা I love
নিশাঃ
ঘুরে তাকালো। কিছু বললো না শুধু একটা হাসি দিল।পরেরদিন বিয়েটা আর হয়নি।সকালেই নিশা আত্মহত্যা করে।আর রহিত ও রাতে ঘরে ফিরেনি আর রহিত কেও আর কখনো দেখাও যায়নি..
আরো সুন্দর সুন্দর ভালবাসার গলপো পরতে পেজ টি লাইক দিন And শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের পড়ার সুযোগ করে দিন ।
একটি মেয়ে এক বৃদ্ধাকে প্রশ্ন করলো, "ভালোবাসার সত্যতা কী?"
বৃদ্ধা বললো, "উত্তর দেব। তবে তার আগে পাশের বাগান থেকে সবচেয়ে সুন্দর ফুলটি নিয়ে এসো।"
.
মেয়েটি সারাদিন খুঁজে অবশেষে খালি হাতে ফিরে এলো।
.
বৃদ্ধা জিজ্ঞেস করল, "তুমি ফুল আনলেনা কেন?"
মেয়েটি বলল, "আমি খুঁজতে গিয়ে প্রথমেই একটি ভালো ফুল পেয়েছিলাম। কিন্তু আমি আরো ভালো ফুলের আশায় সামনে গেলাম। কিন্তু ততটা ভালো ফুল আর না পেয়ে আবারো সেই ফুলটি নেয়ার জন্য এসে দেখি সেটা আরেকজন নিয়ে গেছে।"
.
তখন বৃদ্ধা বলল, "এটাই হচ্ছে ভালোবাসার সত্যতা। যখন কেউ একজন ভালোবাসার মানুষ পায়, কিন্তু তার মর্ম না বুঝে আরো ভালো কাউকে পাওয়ার আশায় তাকে নিরাশ করে, তখন দেখা যায় তার উপযুক্ত কেউ নেই সেই মানুষটি ছাড়া। ভুল বুঝতে পেরে ফিরে আসলেও তাকে আর পাওয়া যায়না।।"
ও মেয়ে
তোর বয়স কত?
-কি জানি গো!
মা থাকলে বলে দিত।
সেই যে বারে দাঙ্গা হলো,
শ'য়ে শ'য়ে লোক মরলো।
হিন্দুদের ঘর জ্বললো,
মুসলমানের রক্ত ঝরলো।
তখন নাকি মা পোয়াতি!
দাঙ্গা আমার জন্মতিথি।
ও মেয়ে তোর বাবা কোথায়?
-মা বলেছে
গরীবদের বাবা হারায়,
কেউ তো বলে
বাপটা আমার হারামি ছিল।
মায়ের জীবন নষ্ট করে
অন্য গাঁয়ে ঘর বাঁধলো।
মা বলতো
শিবের দয়ায় তোকে পেলাম।
শিবকেই
তাই বাপ ডাকলাম।
ও মেয়ে তোর প্রেমিক আছে?
ছেলেরা ঘোরে ধারে কাছে?
-প্রেমিক কী গো?
মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে!
স্বপ্ন দেখায় দিন-দুপুরে!
চুরি-কাজল মেলাতে কেনায়,
ঝোপের ধারে জামা খোলায়!
এসব নন্দ কাকা করেছে দু'বার,
প্রেমিক ওকেই বলবো এবার।
ও মেয়ে তোর পদবি কি?
-বাপই নাকি দেয় শুনেছি!
পদবি থাকলে ভাত পাওয়া যায়?
বাপের আদর কাঁদায় হাঁসায়!
ওটা কি বাজারে মেলে?
কিনবো তবে দু-দশে দিলে।
দামী হলে চাই না আমার,
থাক তবে ও বাপ-ঠাকুরদার।
ও মেয়ে তুই রুপসী?
-লোকে বলে
ডাগর গতর সর্বনাসী।
রুপ তো নয় চোখের ধাঁ ধাঁ,
যৌবনেতে কুকুরী রাধা।
পুরুষ চোখের ইশারা আসে,
সুযোগ বুঝে বুকে পাছায় হাতও কষে।
রুপ কি শুধুই মাংসপেশী?
তবে তো আমি খুব রুপসী।
ও মেয়ে তোর ধর্ম কী?
-মেয়ে মানুষের ধর্ম কী গো?
সব কিছু তো শরীর ঘিরে!
সালমা বলে ধর্ম ওই মানুষ বানায়।
সন্ধেবেলায় যখন দাঁড়ায়,
কেউ তো বলে না হিন্দু নাকি?
সবাই বলে কতয় যাবি!
বিছানা নাকি ধর্ম মেলায়,
শরীর যখন শরীর খেলায়।
তাই ভাবছি এবার থেকে
ধর্ম বলবো শরীর বা বিছানাকে।
---- অবশ্যয় share চাই----
সব ছেলেদের কিছু আপন বন্ধু থাকে, যাদের
নিয়ে দুই কাপ চা কে তিন কাপ বানিয়ে বসে
সারা সন্ধ্যা আড্ডা দেয়া যায়...
.
একটা সিগারেট কে ফার্স্ট কল, সেকেন্ড কল,
থার্ড কল দিয়ে তিন চার জনে মিলে টানা যায়।
(আমি বাদে!!!)
.
আধা লিটার কোকের বোতল চারজনে মিলে মুখ
লাগিয়ে খাওয়া যায়...
.
একটা সিংগারা/চপ কে ইনফিনিটি সংখ্যায়
ভাগ করা যায়।
.
বাটারবনের বাটার দেয়া অংশ টা নিয়ে
মারামারি করা যায়...
.
পুড়ি খেতে গিয়ে সব সালাদ একা একজনে নিয়ে
নেয়া যায়।
.
এদের নিয়ে কোথাও যাওয়ার প্ল্যান করে
মোবাইল বন্ধ করে ঘুমানো যায়। আবার প্ল্যান
ছাড়াই এক শার্ট পরে দুই দিনের ট্যুর দেয়া যায়।
.
মেঘনার সামনে দাঁড়িয়ে রাতের ভোলার
ভাসমান স্নিগ্ধতা দেখা যায়....
.
এদের নিয়ে আটা ময়দা বিরোধি আন্দোলনে
নামা যায়...
.
আবার ঠাস করে প্রেমে পড়ে গিয়ে নারীবাদী
হয়ে যাওয়া যায়!!!!
.
কল ব্রিজে এগারো কলে ই খেলা যায়....
.
টুয়েন্টি নাইন এ বিশ বাইশ ডেকে ইচ্ছে করে
কালো সেট খাওয়া যায়!!!!
.
পাঁচ মিনিটের কথা বলে আধাঘন্টা এদের কে
বসিয়ে রাখা যায়...
.
জন্মদিনের দুইদিন পর উইশ করে ট্রিট নেয়া
যায়..... (যদিও সেটা অশালীন ভাষায় ই হয়!!)
.
একজনের প্রেম হলে সবাই মিলে খুশি হওয়া
যায়... একজনের ব্রেকআপ হলে সবাই মিলে
ছ্যাঁক খাওয়া যায়!!!
.
কারনে অকারনে, সময়ে অসময়ে এদের কে
গালাগালি করা যায়...
.
এদের কাছে বন্ধু মানে বেঁচে থাক সোনামনি,
বেঁচে থাক জাদুমনি না! এদের কাছে বন্ধু মানে
মইরা যা তুই শালা হারামি!!!
প্রেম করার জন্য বেকার ছেলে
গুলি দারুন হয়,
যখন তখন যেভাবে খুশি
নাচানো যায় ।।
প্রেমিকার মন খারাপ?
ছেলেটির হাতে অফুরন্ত সময় ।
সারা রাত প্রেমিকার মিছে রাগ ভাঙ্গাতে কখনো জীবনানন্দ
কখনো রবীন্দ্রনাথ বা মৈত্রী"
মাঝরাতে ছেলেটিকে রাস্তায়
ল্যাম্পপোস্ট বানিয়ে নিজেকে চাঁদ
ভাবাটা যে বড্ড বেশি আনন্দের !!
ফোন কল টা ওয়েটিংয়ে রেখে,
ছেলেটার ছট ফটানি দেখে নিজেকে
হয়তো রানী এলিজাবেথ বা অন্য কিছু ভাবা যেতেই পারে ।।
কিন্তু মেয়ে,,
তুমি যে ছেলেটার টাকায় ফুচকা খেয়ে গাল লাল করছ,
সেই টাকাটা ছেলেটা বাজার
করে কামিয়েছে ।
রিক্সার পথ পায়ে হেটে,
আট টাকার আলু দশ টাকা
বলে কামিয়েছে ।।
রেস্টুরেন্টে তুমি যখন মেনু হাতে
অর্ডার করছিলে,
ছেলেটা তখন প্রাইস
লিস্ট দেখে পকেটে হাত রেখে
আল্লাহ আল্লাহ করেছে ।
হয়তো সারা মাসের টিউশনির
টাকাটাও তোমার গালের লাল হয়ে
যাওয়া দেখার মোহেই ফুরিয়ে যাবে ।
বিশ্বাস করো মেয়ে,
তবু পরোয়া নেই,
শুধু রাত ভর স্বপ্ন সাজাতে সাজাতে
ব্যালেন্স শেষে হুট করে ফোন কাটার
শব্দটা ছাড়া বাকি সব কিছুই
ছেলেটাকে মুগ্ধ করে ।।
তবুও,,
কোন একদিন হয়তো বাবার ঠিক
করা ইঞ্জিনিয়ার ছেলেটাকে দেখে এই
বেকার ছেলেটিকে তোমার বাতিল
মনে হবে ।।
বেকার ছেলেরা বোকাও
হয় বটে,
তোমার ভেজা চোখে ছেলেটা
যখন নিজের অযোগ্যতাটা দেখবে„
তোমার মুখে যখন শুনবে,
বাবা মাকে তুমি কাদাতে পারবেনা।
তখন, বেকার ছেলেটা হয়তো
ভালবাসার কাছে নিজের হৃদয়টা
বিক্রি করে দিবে ।।
কিন্তু জেনে রেখো অপ্সরী,,
বেকার বলে কেউ কখনো
বাতিল হয়না ।।
একদিন এই বেকারের বাড়ির ডিজাইন হয়তো করবে তোমার
সেই ইঞ্জিনিয়ার স্বামী ।।
যে ছেলেরা হাসতে হাসতে স্বপ্ন
বেঁচে, দুঃখ কিনে আনে,
সে ছেলেরা কখনো পড়ে থাকেনা ।।
দুঃখ গুলোই তাদের সুখের নীড়ে
পৌছে দেয় ।।
বরং হতভাগী তুমি,,
দামী রেষ্টুরেন্টে বসে যখন তুমি চাইনিজ অথবা চাওমিন খাবে, তোমার ইঞ্জিনিয়ারের চোখ
তখন হাত ঘড়িতে !!
এক জীবনে হয়তো তুমি
অনেক কিছুই পাবে ।।
তবে,, কখনো পাবেনা মুগ্ধ হয়ে
চেয়ে থাকা সেই দুটি চোখ ।।
প্রেম করার জন্য বেকার ছেলে
গুলি দারুন হয়,
যখন তখন যেভাবে খুশি
নাচানো যায় ।।
প্রেমিকার মন খারাপ?
ছেলেটির হাতে অফুরন্ত সময় ।
সারা রাত প্রেমিকার মিছে রাগ ভাঙ্গাতে কখনো জীবনানন্দ
কখনো রবীন্দ্রনাথ বা মৈত্রী"
মাঝরাতে ছেলেটিকে রাস্তায়
ল্যাম্পপোস্ট বানিয়ে নিজেকে চাঁদ
ভাবাটা যে বড্ড বেশি আনন্দের !!
ফোন কল টা ওয়েটিংয়ে রেখে,
ছেলেটার ছট ফটানি দেখে নিজেকে
হয়তো রানী এলিজাবেথ বা অন্য কিছু ভাবা যেতেই পারে ।।
কিন্তু মেয়ে,,
তুমি যে ছেলেটার টাকায় ফুচকা খেয়ে গাল লাল করছ,
সেই টাকাটা ছেলেটা বাজার
করে কামিয়েছে ।
রিক্সার পথ পায়ে হেটে,
আট টাকার আলু দশ টাকা
বলে কামিয়েছে ।।
রেস্টুরেন্টে তুমি যখন মেনু হাতে
অর্ডার করছিলে,
ছেলেটা তখন প্রাইস
লিস্ট দেখে পকেটে হাত রেখে
আল্লাহ আল্লাহ করেছে ।
হয়তো সারা মাসের টিউশনির
টাকাটাও তোমার গালের লাল হয়ে
যাওয়া দেখার মোহেই ফুরিয়ে যাবে ।
বিশ্বাস করো মেয়ে,
তবু পরোয়া নেই,
শুধু রাত ভর স্বপ্ন সাজাতে সাজাতে
ব্যালেন্স শেষে হুট করে ফোন কাটার
শব্দটা ছাড়া বাকি সব কিছুই
ছেলেটাকে মুগ্ধ করে ।।
তবুও,,
কোন একদিন হয়তো বাবার ঠিক
করা ইঞ্জিনিয়ার ছেলেটাকে দেখে এই
বেকার ছেলেটিকে তোমার বাতিল
মনে হবে ।।
বেকার ছেলেরা বোকাও
হয় বটে,
তোমার ভেজা চোখে ছেলেটা
যখন নিজের অযোগ্যতাটা দেখবে„
তোমার মুখে যখন শুনবে,
বাবা মাকে তুমি কাদাতে পারবেনা।
তখন, বেকার ছেলেটা হয়তো
ভালবাসার কাছে নিজের হৃদয়টা
বিক্রি করে দিবে ।।
কিন্তু জেনে রেখো অপ্সরী,,
বেকার বলে কেউ কখনো
বাতিল হয়না ।।
একদিন এই বেকারের বাড়ির ডিজাইন হয়তো করবে তোমার
সেই ইঞ্জিনিয়ার স্বামী ।।
যে ছেলেরা হাসতে হাসতে স্বপ্ন
বেঁচে, দুঃখ কিনে আনে,
সে ছেলেরা কখনো পড়ে থাকেনা ।।
দুঃখ গুলোই তাদের সুখের নীড়ে
পৌছে দেয় ।।
বরং হতভাগী তুমি,,
দামী রেষ্টুরেন্টে বসে যখন তুমি চাইনিজ অথবা চাওমিন খাবে, তোমার ইঞ্জিনিয়ারের চোখ
তখন হাত ঘড়িতে !!
এক জীবনে হয়তো তুমি
অনেক কিছুই পাবে ।।
তবে,, কখনো পাবেনা মুগ্ধ হয়ে
চেয়ে থাকা সেই দুটি চোখ ।।
ছেলেরা একটু অন্যরকম
এদেরকে কাদানো এতো সহজ নয়।
.
.
প্রচন্ড পরিমান মার খেয়ে রক্তাক্ত
অবস্থায় এরা রাস্তায় পড়ে থাকবে।
তবুও চোখ দিয়ে এক ফোটা নোনতা জল বের
হবে না।
.
.
মেয়েদের একটা ধমক দিলেই কেদে দেয়।
রাগ উঠলে বা অভিমানে মেয়েরা কেদে
দেয়।
কিন্তু একটা ছেলে তা পারে না।
ছেলের রাগ উঠলে সে হাত কাটে, মোবাইল
ভাঙ্গে
তবুও কাদে না।
.
.
.
বাবা যখন একটা মেয়েকে বকে বা থাপ্পড়
দেয় তখন তার চোখ দিয়ে জল পড়ে।
কিন্তু যখন একটা ছেলেকে মারে বা বকে
তখন ছেলেটি মাথা নিচু করে রাখে
অপমানে। তবুও সে কাদে না।
.
.
.
ছেলের বড় দাদা বা দিদি যখন বকে তখনও
ছেলেটি কাদে না বরং সুখ খুজে পায়।
কারন বকার মাঝেও আদর লুকিয়ে আছে।
.
.
.
ছেলেটি যখন রাত করে বাড়ি ফিরে তখন
বাবা মা ঘর থেকে বের করে দেয় তখনও সে
কাদে না।
হাসিমুখেই চলে যায়।
.
.
.
পড়া না পারলে যখন সার ইচ্ছে মত মারে।
মেরে রক্ত বের করে ফেলে তখনও ছেলেটি
কাদে না।
চুপচাপ দাড়িয়ে থাকে।
.
.
.
ছেলেটির যখন বাবা বা মা মারা যায়
তখনও ছেলেটি কাদে না।
সে কাদলে অন্যদের শান্তনা দিবে কে?
.
.
.
ছেলেটি যখন ভালবাসার মানুষকে দুরে
ঠেলে দেয় মেয়েটির ভালোর জন্য তখনও সে
কাদে না।
.
.
হাজার অবহেলা, অপমান করার পরও
ছেলেরা কাদে না। হাসিমুখে সব সহ্য
করে।
.
.
ছেলেদের খুব পাষন্ড মনে হচ্ছে তাই না?
হ্যা ছেলেরা খুব পাষন্ড।
এদের চোখ দিয়ে জল সহজে বের হয় না।
.
.
কিন্তু প্রতি রাতে ছেলেরা কাদে।
বিভিন্ন কারনে কাদে।
যা কেউ দেখে না।
যার সাক্ষী থাকে নিস্তব্ধ রাত আর রাতের
অন্ধকার।
.
.
.
একটা ছেলেকে কাদানোর সবচেয়ে সহজ
উপায় কি জানেন?
অবহেলা।
যে ছেলেটিকে মেরে ফেললেও কাদবে না।
সেই ছেলেটিকে যদি তার ভালবাসার
মানুষ অবহেলা করে তাহলেই হয়ে গেল।
তাকে কাদাতে আর কিছু করতে হবে না।
কিন্তু এ চোখের জলের মূল্য অনেক।
যার দাম কেউ দিতে পারবে না।
.
.
ছেলেদের শক্ত হতে হয়।
কারন ছোটবেলা থেকেই ছেলেরা শিখেছে
শক্ত হতে। সবাইকে আগলিয়ে রাখতে।
সব পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে।
কোনএক মনিষী বলেছিলেন
"ছেলেদের কাদতে হয় না"
আসলেই ছেলেদের কাদতে হয় না। আর
কাদলেও তাদের চোখের জল কেউ দেখে
না।
চোখের জলের সাক্ষী থাকে শুধু রাতের
অন্ধকার।