Long Romantic Sms


সেদিন ট্রেনটি রওনা দিল..
ধীরে ধীরে তোর মুখ, বিদায়ী হাতখানি
আমার চোখের সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে গেল।
প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে রইলাম একা নিষ্প্রাণ।
ট্রেনটি নতুন কোন ষ্টেশনে পৌঁছবার আগেই
ফোন করে তোকে জিজ্ঞেস করলাম...
বুকের ভেতরটা কেন এত শূন্য মনে হচ্ছে?
যেন কেউ আমার হৃৎপিন্ডটা উপড়ে নিতে চাইছে।
তুই বললি-জানিনা, হয়তো ভালোবাসা...
বুঝেই যখন গেছিলি, তবে কেন ভুলে যেতে বললি?
চাইলেই বুঝি সবকিছু ভোলা যায়....
ভালোবাসার মানুষটার সাথে সম্পর্ক নষ্ট করা খুব সহজ, ব্রেকআপ করতে কোন আনুষ্ঠানিকতা লাগেনা, কোন সামাজিক নিয়ম নীতির মধ্য দিয়েও যেতে হয়না। শুধু মুখের উপর একবার বলে দিতে হয়, "তোমার সাথে আমি আর সম্পর্ক রাখতে চাই না।"
.
সম্পর্কগুলা ভেঙে যায় কেন?
.
ধরুন, একটা মেয়ে, তার প্রেমিক আছে, চার বছরের পুরাতন প্রেমিক; হঠাৎ মেয়েটার জীবনে নতুন কোন ছেলে এসে তাকে প্রেম প্রোপোজ করল। মেয়েটা ধীরে ধীরে ঐ ছেলের প্রতি দুর্বল হতেই পারে। মানুষ মাত্রই বৈচিত্র খুজে।
.
এ অবস্থায় মেয়েটা তার পুরাতন প্রেমিকের সাথে আর আগের মত স্বাভাবিক আচরন করতে পারবে না। তার কথা বার্তা চলা ফেরায় একটা পরিবর্তন চলে আসবে। তার চিন্তার জগৎ জুড়ে থাকবে নতুন প্রেমিকটি।
.
খুব মনসতাত্ত্বিক ব্যপার। মেয়েদের জীবনের এই গভিবোধ উপলব্ধী করতে গিয়ে বায়রন বলেছিলেন, "আমার যথেষ্ট সন্দেহ হয় মেয়েদের আত্মা আছে কি না!"
.
লেখার এ পর্যায়ে হাত থমকে গেছে। বায়রনের মত মানুষ মেয়েদের নিয়ে কেন এত নিষ্ঠুর মন্তব্য করল? সেই কথা আর একদিন হবে। আগের প্রসঙ্গে ফিরি।
.
....কয়েকমাস পর মেয়েটার জীবনে হয়ত আবার নতুন কেউ আসবে। হয়তো তাকেও গ্রহন করবে এবং আগেরটাকে ছেড়ে দেবে। এরকম একটা ধারা চলতেই থাকবে.....
.
এটা শুধু মেয়েদের না এবং আমি কোন মেয়েকে দোষ দিচ্ছিনা। ছেলেদের ক্ষেত্রেও এমন হয়। একটা পর একটা প্রেম করে নারীদেহ ভোগ করছে এরকম প্রচুর ছেলে আছে।
.
বঙ্কিমচন্দ্র একটা কথা বলেছিলেন, 'বাঘ গরু মারে কিন্তু সকল গরু খায়না, স্ত্রীলোক পুরুষের মন জয় করে শুধু জয় পতাকা উড়ানোর জন্য।"
.
কথাটার ব্যপক তাৎপর্য আছে। একটা মেয়ে তোমার জীবনে আসল, অসম্ভব রকম ভালোবাসলো তোমাকে। তোমাকে না পেলে মরে যাবে টাইপ অবস্থা তার। তাহলে সে কেন তোমাকে ছেড়ে আর একটা প্রেম করবে?
.
কারন একটাই, জয় করার ধান্দা। নারী চায় অসংখ্য পুরুষের মন জয় করতে। পুরুষও চায় অনেক নারীর মন জয় করতে। একের পর এক জয় করতে চায় আর জয় পতাকা উড়াতে চায়।(সবাই না, তবে অনেকেই)
.
কিন্তু একটা কথা আছে, জয় করে সে রাজ্যে যদি নিজের আধিপত্য রাখতে না পারেন তাহলে ঐ জয়ের কোন মূল্য নেই।
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান অনেক জয় করেছিল, কিন্তু ফল কি হয়েছে, জয় তারা ধরে রাখতে পারেনি। হিরোসিমা নাগাসাকি উড়ে গেছে।
.
যারা জয় করার মানসিকতা নিয়ে চলে তাদের অবস্থা হয় জাপানের মত। ধ্বংস হয়ে যাবে মনের ঘরবাড়ি। জীবনের একটা সময় এই ধরনের মানুষদের ভীষন কষ্ট পেতে হয়।
.
একটা মাত্র মন জয় করো, তারপর সেখানে সুন্দর কোলাহল মুক্ত একটা সাম্রাজ্য গড়ে তোল। উদ্যান গড়ো, ফুল ফোটাও। ভাল থাকার জন্য বেশি কিছুতো লাগেনা, একটা ভালোমানুষ আর একটুখানি ভালোবাসা। যথেষ্ট, এই যথেষ্ট।
কেউ তোমাকে পছন্দ করবে এই নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলনা
তুমি যেমন আছো তেমনই থাকার চেষ্ঠা করো , যে তোমাকে সর্তি অর্থেই ভালবাসে সে তোমাকে কখনোই ছেরে যাবে না....
শুনেছি ভালোবাসা নাকি হাসতে শেখায়??
তবে তোমার ভালোবাসা তো
আমাকে কাঁদতে শিখাল ,
শুনেছি ভালোবাসা নাকি অর্জন করতে শেখায়??
তাহলে তোমার ভালোবাসা
আমাকে জীবন থেকে চাওয়া পাওয়া
গুলোকে হারাতে শেখাল কেন ??
শুনেছি ভালোবাসা নাকি
নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখায়??
তাহলে তোমার ভালোবাসা
আমার স্বপ্ন গুলোকে
ধুমরে মুচরে দিলো কেন ??
শুনেছি ভালোবাসা নাকি বাঁচতে শেখায়??
তাহলে আমি কেন প্রতি নিয়ত
মৃত্যুর স্বাদ ভোগ করছি।
তাহলে কি তোমাকে ভালবাসাটা
আমার অপরাধ ছিলো??
এক গ্রামে এক অন্ধ বালিকা বাস করত
। রুপ লাবণ্যে সে ছিল অপূর্ব ।
সেই গ্রামের এক যুবক মুগ্ধ হয়েছিল ওই
অন্ধ বালিকার সৌন্দর্য্যে । রোজ
বিকেলে মেয়েটি যখন ফুলের
বাগানে সুবাস নিতে আসতো ,
যুবকটি তখন তাকে কবিতা শোনাত ।
নিজের লেখা কবিতা । কবিতার
মাধ্যমে বোঝাতে চেষ্টা করত
মেয়েটিকে তার
ভালবাসার কথা । কোন এক স্নিগ্ধ
বিকেলে যুবকটি মেয়েটিকে বিয়ের
প্রস্তাব দিল ।
মেয়েটি রাজি হলো না, বলল
যে দিন আমি দেখতে পাব সেই দিন তোমাকে
বিয়ে করব ।
.
বেশ কিছুদিন পর কেউ একজন মেয়েটিকে দুটি
চোখ
দান করল । মেয়েটি চোখের
আলো ফিরে পেল ।
.
তখন যুবকটি তার দাবি নিয়ে ফিরে এল
কিন্তু ......
মেয়েটি দেখতে পেল
যুবকটি অন্ধ ! মেয়েটি যুবকের
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল এবং বলল আমি
কোন অন্ধ ব্যক্তিকে বিয়ে করব না ।
.
যুবকটি প্রচন্ড কষ্ট পেল এতে ।
চলে যেতে যেতে মুচকি হাসল
এবং বলল
.
.
.
.
''Take Care of My Eyes''
এটাই কি বাস্তবতা..?
একটি ছেলে আর একটি মেয়ে রিক্সায়
করে ঘুরতে বের হয়েছে......
ছেলেঃ তোমাকে কিছু কথা বলার ছিল।।
মেয়েঃ কি কথা??
ছেলেঃআমি জানি না কথা গুলো তুমি কি
ভাবে
নিবে...।।
মেয়েঃআরে বাবা এত না ভেবে বল
তো কি হয়েছে???
ছেলেঃ আমি আর পারছি না তোমার
সাথে মানিয়ে চলতে, অনেক
চেষ্টা করেছি,কিন্তু পারিনি আর
তাছাড়া আমি আর একজনকে এখন
ভালোবাসি।।
আমি আর তোমাকে ভালোবাসি না।।
আমাকে একটু একা থাকতে দিবে???
ছেলেটা একনাগাড়ে সব বলে ফেলল.........
মেয়েটি সব শুনে দুই মিনিট চুপ
করে রইল............
তারপর
মেয়েটা ছেলেটার গালে একটা kiss দিয়ে
বলল,
মেয়েঃআমি জানি আমার জন্য এত
ভালোবাসা ত্যাগ করে তুমি অন্য
কাউকে ভালবাসতে পারবে না,দুনিয়ার যত
সুন্দর
মেয়েই হোক না কেন,সে তোমাকে যতই
ভালবাসুক না কেন,তুমি আমাকে ছাড়া অন্য
কেউকে ভালবাসবে না।।অন্তত তুমি আমায়
ছেড়ে যাবে না... কেন শুধু শুধু
এগুলো বলে আমায়
কাঁদাও,নিজেও কষ্ট পাও???
এই বলে মেয়েটা ছেলেটিকে জড়িয়ে
ধরে......
ছেলেটা কিছু বলতে পারে না শুধু তার চোখ
দিয়ে আনন্দ অশ্রু বেয়ে পড়ে মেয়েটির গাল
ভিজিয়ে দেয়............
" এটাই হল বিশ্বাস "
আর একটা সম্পর্কে টিকিয়ে রাখতে এতটুকু
বিশ্বাসই যথেষ্ট।
Hridoy khula shopa dilam turi chorona,
Eccha hole aagla rakhis hridoy gohina
Aoniccha ta chura falis kuno ek dustbina!!
Bastota amake dayna obosor,
Tai bola vabona amai sarthopor,
Jakhane e thaki, thaki joto e dura...
Tumi aacho sarakhon ai hridoy jura.
Aaj hote onek dure, Ei smritir kothar pore.. Abcha hoe amai jadi abar mone pore, Ekbarti kanti pete sono amr dak, Bujhie bolo samaytake ektu thomke thke. Chilam ami,achi ami,thakbo nako pore.... Tai mone rekho 3ti katha ............. Tomay--Mone--Pore
Thala! Thala! Kattadura namma poochipandiku message anappikite irukkan.
Kattaduraiku kattam sarilla namaku message anapparathe avanuku polapa pochi Eduda cella anappuda gud
morni, gud after, gud night messagea Thala namma cellula balance
illa ok next meet panren
Brishti Pore Akash Jure.mon Je Kade 2mr Tore.bondhu 2mi Onek Dure.2mr Lagi Poran Je Pure.Esho 2mi Amar Tore. Basbo Valo Jibon Vore.